ভালবাসা যদি একটা হরলিক্সের ডিব্বার মধ্যে জমিয়ে রাখা যেত তাহলে ভালই হতো।
যখন ইচ্ছা কিংবা দরকার;
কুলুঙ্গির উপর, মিটসেফের জালির ভিতর থেকে বের করে এনে ব্যবহার করতাম।
টাইগার বামের মতো ঘন গভীর ভালবাসা।
অনেকক্ষণ কৌটা খোলা রাখলে আকুল করা গন্ধটা আস্তে আস্তে উবে যায়।
এয়ারটাইট না হলেও, নানীর বানানো লেবু-গন্ধি আঁচারের মতো যত্নে তুলে রাখা দরকার।
মাঝে মাঝে বের করে, অ্যাপ্লাই এস নিডেড।
একটুখানি হাতে গায়ে লাগিয়ে রাখা যেত,
মুখে মেখে করে ফেলা যেত ভালবাসার কুইক রিফ্রেশিং ফ্যাসিয়াল।
সন্ধ্যা হলেই টিম টিম বাতিটার তেলে একটু ভালবাসা ছোঁয়ালেই বেশ কিছুক্ষণ ঘরে হয়ে থাকতো বিভাময়ী শোভা,
দুঃখিত মনজগত লীলাময়ী তখন।
হৃদয়ে দেয়া যেত জীয়ন-কাঁঠি, ভালবাসার প্রলেপ।
বালিশে মাখিয়ে নিয়ে ঘুমানো যেত আরাম করে।
ভালবাসাটাকে কাঁচের জারে বন্ধি করার বিজ্ঞানটা বের করতেই হবে।
অসংখ্য কাঙ্গাল অধীরে দিন গুনছে।
No comments:
Post a Comment